কুমিল্লায় গত তিন বছরে ১০ ও ৬০ বিজিবির অভিযানে জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংসশাহাদাত কামাল শাকিল.... কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকায় গত তিন বছরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির ১০ ও ৬০ ব্যাটালিয়নের অভিযানে জব্দ করা প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে ১০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ও আশপাশের সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গত তিন বছর ধরে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে বিজিবি। সীমান্তে টহল জোরদার, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।গত তিন বছরে ১০ বিজিবি ও ৬০ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় প্রায় ২০ হাজার ২০০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য আটক ও জব্দ করা হয়। একই সময়ে মাদকসহ ৫২৬ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত আরও প্রায় আড়াইশ ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জব্দ করা মাদকদ্রব্যের একটি বড় অংশ আজ কোটবাড়িতে বিজিবি-১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে ধ্বংস করা হয়।মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। বিশেষ করে তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনোভাবেই মাদক দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বিজিবি সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন। মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।কুমিল্লার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। এসব মাদক দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই সীমান্তে তা প্রতিহত করতে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, শুধু মাদক জব্দ করাই নয়, এর সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।এদিকে, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংসের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আরও একবার সামনে এসেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদকের উৎস, সরবরাহকারী এবং চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ সব ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ বন্ধে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংসের এ কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির চলমান তৎপরতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।